Menu
 
       
অর্থনীতি

কাটছে না ডলার সংকট!


 
কাটছে না ডলার সংকট!  7098 
 

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে মার্কিন ডলারের সংকট কাটেনি। ফলে চলতি মাসের পুরো সময় ধরে ডলারের বিপরীতে দেশি টাকা শুধুই দুর্বল হয়েছে। বড়দিন ও ইংরেজি নতুন বছরকে কেন্দ্র করেও ডলারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে ও বাজারে ডলার ছেড়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গতকাল বুধবার ব্যাংকগুলোতেই নগদ ডলারের বিক্রয়মূল্য ছিল সর্বোচ্চ ৮৪ টাকা ৭০ পয়সা। তবে রপ্তানিকারকেরা প্রতি ডলারে পেয়েছে সর্বোচ্চ ৮২ টাকা ৪৫ পয়সা ও আমদানিকারকদের ব্যয় হয়েছে ৮৩ টাকা ২০ পয়সা।

এদিকে ডলারের ঘোষিত হার না মানায় ব্র্যাক ব্যাংককে আবারও কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বেসরকারি খাতের মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকটির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এ দুই ব্যাংকের গ্রাহকদের প্রায় ৪০ লাখ ডলারের রপ্তানি বিল বেশি দামে কেনে ব্র্যাক ব্যাংক, যাতে ডলারের সংকট আরও ঘনীভূত হয়।

সূত্র জানায়, রপ্তানিকারকদের জন্য গত মঙ্গলবার ব্র্যাক ব্যাংকের ঘোষিত হার ছিল ৮২ টাকা ২০ পয়সা ও আমদানিকারকদের জন্য ৮৩ টাকা ২০ পয়সা। তবে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের দুজন গ্রাহকের রপ্তানি বিল প্রতি ডলার ৮৩ টাকা ৩৫ পয়সা দরে কেনে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংকটির ২৭ লাখ ডলারের রপ্তানি বিল কেনে ব্র্যাক ব্যাংক। একইভাবে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ১৬ লাখ ডলারের রপ্তানি বিলও ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে কেনে ব্র্যাক ব্যাংক। বিষয়টি তুলে ধরে ব্যাংক দুটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অভিযোগ করে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, ঘোষিত হারের চেয়ে বেশি দাম রাখায় এর আগেও ব্র্যাক ব্যাংককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ব্যাংকটি ক্ষমা প্রার্থনা করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা বিবেচনায় নেয়। এ বিষয়টি উল্লেখ করে গতকাল বুধবার বিকেলে পাঠানো চিঠিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আবারও ঘোষিত দাম মানা হয়নি। দুই দিনের মধ্যে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুজন গ্রাহকের রপ্তানি বিল ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে কিনে নিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। আমরা ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা করলাম, আর পুরো সুবিধা নিল অন্য ব্যাংক। বিষয়টি আমরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে তুলে ধরেছি।’
এ বিষয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডলারের দাম ধরে রাখতে ২০১২ সালের জুলাই থেকে গত জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনেছে। এখন বিক্রি করছে। গতকাল বুধবার পর্যন্ত চলতি অর্থবছরে ব্যাংকগুলোর কাছে ১০২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপরও ডলারের দাম কমছে না।


71 নিউজ টিভি'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।



71 নিউজ টিভি সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

 

অর্থনীতি Share market  Garment industry   Tourism  Corporate News  Budget 

Banner 2